পাশাপাশি শাকিব খান ও প্রযোজক আবদুল আজিজসহ ঐক্যজোটের নীতিবিরুদ্ধ ব্যক্তিদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে এফডিসি থেকে।


শুক্রবার জোটের এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

যৌথ প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটির আপত্তি ও এফডিসিভিত্তিক চলচ্চিত্রের ১৪টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের তীব্র আন্দোলনের মুখেও সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত যৌথপ্রযোজনার দুই ছবি ‘নবাব’ ও ‘বস টু’। আসন্ন ঈদে মুক্তির লক্ষ্যে চলছে চলচ্চিত্র দুটির প্রচার প্রচারণা। এমন অবস্থায় শুক্রবার জরুরি বৈঠকে বসে চলচ্চিত্র ঐক্যজোট। বৈঠকে নেতারা তথ্যমন্ত্রীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তার পদত্যাগ দাবি করেন। পাশাপাশি শাকিব খান ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজক আবদুল আজিজসহ ‘যৌথ প্রতারণা’র পক্ষের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের ঐক্যজোটের সংগঠনগুলো থেকে অব্যাহতি ও এফডিসিতে তাদের অবাঞ্ছিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের কাছে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানান জোটের মুখপাত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার। তিনি বলেন, “বাংলা চলচ্চিত্রের আজ দুঃসময়। এমন পরিস্থিতিতে একটি গোষ্ঠী দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংসের নীল নকশা বাস্তবায়নে সরাসরি তত্পর। এরই প্রতিবাদে চলচ্চিত্র শিল্পের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ, রীতি নীতি অনুযায়ী রাস্তায় নামতে বাধ্য হই। সর্বশেষ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে তিনি এবং তথ্যসচিব আলোচিত দুই যৌথ প্রতারণার ছবির বিষয়ে কি কি অসঙ্গতি রয়েছে এবং কি কি নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে তা জানতে চাইলে আমরা লিখিতভাবে তা জানিয়ে দেই। মূলত সবই ছিল মন্ত্রী কর্তৃক সময়ক্ষেপণের প্রক্রিয়ামাত্র। এমন অবস্থায় গত ২১ তারিখ আমাদের জানা মতে, মন্ত্রী কর্তৃক রাষ্ট্রের সকল নিয়ম নীতি অমান্য করে ভারতীয় দুটি ছবির সেন্সর সম্পন্ন হয়। (ভারতীয় বলছি এ কারণেই যে, চলচ্চিত্র দুটি ওখানে স্থানীয় হিসেবেই নির্মিত হয়েছে) যা ছিল অত্যন্ত বিস্ময়কর।”


গুলজার জানান, গতকাল শুক্রবার থেকে চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী শাকিব খান, প্রযোজক আবদুল আজিজসহ যারা যারা আছেন প্রত্যেককে এফডিসিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। ঐক্যজোটের যে সব সংগঠনের বিভিন্ন পদে তারা রয়েছেন সেসব পদও বাতিল করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্তব্যসমূহ