The Hearts of Earth 1


Article about  Program for Human Care : The Hearts of Earth (পৃথিবীর প্রাণ) : The hearts of the Earth is the The Most influential Article of Monira Chodhury, Written as Program for Human Care and Nominated to Send United Nation and Swidesh Nobel Committee  by DWDO


যদি পৃথিবীর ভূমি হত শক্ত পাথরের মত, যদি নির্জীব বীজকে সে আশ্রয় না দিত তার ভূমি গর্ভে, যদি তাতে ভূমি রস সরবরাহ না করতো তাহলে এই সবুজ বিস্তুীর্ণ বনানী কখনোই হত না। জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন প্রবাহ কোথাও থাকত না। হতনা মানব সভ্যতা, হতনা গ্রামের পর গ্রাম জুড়ে ছড়ানো ফসলের মাঠ। যদি পৃথিবী দয়াহীন মায়াহীন কঠিন পাথরের মত হয়ে থাকত, তবে ক্ষুদ্র অবলা বীজগুলো নষ্ট হয়ে হারিয়ে যেত কালের আবর্তে।  একটি ক্ষুদ্র বীজের মতই একটি অবুঝ মানব শিশু, একটি বিপন্ন বালক, একটি বিপন্ন বালিকিা, প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে অমিত সম্ভাবনা, যদি তাদের যতœ নেওযা না হয়, এই সম্ভাবনার সমাপ্তি এখানেই। উপরন্তু তারা হয়ে উঠবে সভ্যতার জন্য বোঝা। যদি যতœ নেওয়া হয় তারা হবে চিকিৎসক, কৃষক, কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী। অযতœ অবহেলায় পড়ে থেকে তারা হযে উঠবে চোর ডাকাত, অমানুষ, সন্ত্রাসী, সমাজের শান্তি বিনষ্টকারী রাজনীতিক কর্মী বা নেতা, আবর্জনাময় বস্তির বাসিন্দা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকা শিক্ষাহীন চিকিৎসাহীন মানবেতর জীবন ধারন কারী, ক্ষুধার তাড়নায় বেপরোয়া ছিনতাইকারী এক বালক, দারিদ্রের কষাঘাতে সন্ত্রাসী হওয়া যুবক, এর সমাজর চোখে অমানুষ, এরা অনমানুষ হয়েছে কারণ সমাজ তাদের যতœ নেযনি। সমাজ এর অবহেলায় তারা হয়েছে জীবন হরনকারী খুনী, অথচ তাদের হওয়া উচিত ছিল জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসক। পৃথিবী যেমন উদার, সমাজটাও যদি তেমন উদার হত, যদি সমাজ তাদের নার্সিং করতো তবে তারা সভ্যতার বোঝা হত না। আশীর্বাদ হত।

চুড়ান্তভাবে আমাদেরকে একটা সিদ্ধান্তে আসতে হবে- পৃথিবীর বাসিন্দাদেরকে, পৃথিবীতে আর নতুন কিছু হোক বা না হোক কিন্তু এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে যে, কেউ অনাহারে থাকবে না, কেউ ক্ষুধার যন্ত্রনা নিয়ে জীবন কাটাবেনা, কোন শিশু ক্ষুধার যন্ত্রনায় চিৎকার করবে না, কোন অনাথ বালক সারাদিনের ক্লান্তি শেষে অভুক্ত থেকে পথের ধারে ঘুমিয়ে পড়বে না। সাধারন হিসেবে পৃথিবীতে যতজন মানুষ প্রত্যেকের প্রয়োজনের তুলতায় চারগুন খাবার রয়েছে। খাদ্যের পরিমাণ পর্যাপ্ত প্রয়োজেনর চেয়ে বেশী, মানুষ ও মানব সমাজের জটিলতার কারণ হাজার হাজার মানুষ খাদ্য পানীয়র অভাবে দুঃসহ মানবেতর জীবন যাপন করছে। যখন একজন মানুষের জন্য ১ প্লেট খাবার প্রয়োজন তখন পৃথিবী তার জন্য ৪ প্লেট খাবার রাখে, যখন ২ প্লেট খাবার প্রয়োজন তখন ৮ প্লেট খাবারের  ব্যবস্থা রাখে যখন ১ গ্লাস পানি প্রয়োজন তখন ৪ গ্লাস পানির ব্যস্থা রেখেছে। এই বিশাল মানব গোষ্টির জন্য বিপুল পরিমান বিশুদ্ধ সুপেয় পানরি পরও নোনা অশোদিথ পানির মওজুদ আরো অনেক বেশি। ১লিটার বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি রয়েছে ৯৯ লিটার অশোধিত পানি। এই পানিও রাখা হয়েছে মানুষের অন্যান্য প্রয়োজনে, একটি বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য যে ইকোসিস্টেম প্রয়োজন সেখানে থাকবে জীব জগত প্রাণীজগত ও ভৌগলিক এলাকার প্রয়োজনীয় উপাদান গাছ, লাত, পাতা, বনাঞ্চল, পাহাড়, সাগর পশু, পাখি মরুভুমি সবকিছ্।ু এই ইকোসিস্টেম যথাযথ ভাবে না থাকলে মানুষ পৃথিবিতে টিকতে পারতনা মানুষ এবং এই সিস্টেমের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য পৃথিবী প্রতি মুহুর্তে পনি বাতাস ও খাবার সরবরাহ করছে।


পৃথিবীতে মানুসের সংখ্যা  সাতশত কোটি অথবা আটশত কোটি। প্রত্যেকেও জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত বাসস্থান। তাই পথের পাশে কারো ঘুমানের প্রয়োজন নেই, কনকনে শীতে অথবা প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টিতে কেউ মাথা গুজার ঠাই পাবনো, কেউ বাস্তুহারা হারা হয়ে থাকবে। কোনটাই হওয়া সম্ভব নয় এবং উচিত নয়। আজ হাজারো মানুষ যে বাস্তুহারা তার  কারণ সক্ষম মানুষদের অমানবিকতা, ভবিষ্যত এ অবস্থা চলতে পারেনা, চলা উচিত নয়। যদি মানব সভ্যতা আসলে সভ্যতা হয়। কারো শিশু সন্তাান বৃষ্টি ঝরা দিনে কাদা মাটি আর আবর্জনায় পড়ে থাকবে কোন মানুষ কি এটা সহ্য করবে যদি ঐ শিশু হয় তার নিজ সন্তান কারো ছোট বোন রোগ যন্ত্রণায় বিছানায় চটপট করছে দিনের পর দিন। অথচ সে তার চিকিৎিসার ব্যবস্থা না করে এ টাক কক্সবাজানা দার্জিলিং ভ্রমনে নষট করছে তবে তাকে কি প্রকৃত মানুষ বলা যাবে। আমরা সভ্য মানুষেরা বড় বড় ক্রীড়া আসরের আয়োজন করছি গ্রহণ উপগ্রহ নক্ষত্রের জগতে ব্যয়বহুল আবিস্কার অভিযান পরিচালনা করছি,  অন্য দিকে ঐ রকম শতশত বোন কত উদ্ভাস্তু শরনার্থী তাবুতে চিকিৎসাহীন, আশ্রয়হীন, কত মায়ের আহাজারী, কত পিতার অশ্র“জল, তাদেরকে পুনর্বাসন না করে চন্দ্র মঙ্গল ইউরেনাসে অভিযান অর্থহীন, আগে তাদের পুনর্বাসন তারপর খেয়ালী অভিযান। কোন স্বাভাবিক মানুষ  কি সহ্য করবে,  যদি তার শিশু সন্তান খাবরের জন্য চিৎকার করতে করতে ঘুমিয়ে পড়বে, অথচ প্রতিদিন শত শত শিশু খাবরের অভাবে মারা যাচ্ছে তারা কি মানুষের সন্তান নয়। অমরা কি মেনে নেব যদি আমাদেও কারো বৃদ্ধ মা প্রখর রোদের মাঝে অবসন্ন দেহে অসহনীয় পরিশ্রম করবে। তবে কেন একজন বৃদ্ধ মা শীর্ণ শরীরে প্রখর রৌদ্রে বসে ইট ভাঙ্গার কাজ করছে। তার পেটের সন্তান নইে। তাই বলে কি পৃথিবীর সন্তানেরাও সব মরে গেছে। হয়তো তাদের মন আর বিবেক মরে গেছে তাই একজন বৃদ্ধ পিতা খাবারের জন্য হাত পাতছে জনে জনে, কারণ তিনি কর্মক্ষম নন। আরেকজন বৃদ্ধ পিতা একটু উঞ্চ আবাস অথবা উঞ্চ পোষাকের অভাবে কনকনে শীতের মাঝে কষ্ট পাচ্ছে, শীত বস্ত্রের কি অভাব। আসলে খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান কোনটারই অভাব নয়। অভাব মানসিকতার, অভাব উদারতার। সমাজ ব্যবস্থার সিস্টেমে সমস্যা, নিয়মের মাঝে ভুল। চিন্তায় সংকীর্ণতা, জ্ঞানের জগতে দৈন্যতা। যে কৃষকেরা দিনভর খেটে ফসল ফলাচ্ছে, পোষাক কারখানায় যারা শ্রমিকরূপ পোষক শিল্পী, ঔষধ কারখানায়, যারা দ্রুত হাতে ঔষধ তৈরী করছে। যেসব নির্মাণ শিল্প শ্রমিক যারা ইট অথবা কাঠের অথবা পাথরের বসতি গড়ছে ক্রমাগত, তারাই সভ্যতার প্রথম সারির সদস্য। আর সেই সহ মহান সদস্য যারা দিন রাত গবেষনা করছে মানুষের জন্য , মানুসের শান্তির জন্য, চিকিৎসা বিজ্ঞানকে এগিয়ে নেয়ার জন্য, আরো দ্রুত খাদ্য উৎপাদনের জন্য , রোগজীবানু নাশক মেডিসিনের জন্য, পৃথিবীকে ক্ষধা দারিদ্রতা যুদ্ধ বন্ধের জন্য যারা সত্যিকারের উদ্যেগ নিতে চায়। সেই সব মানুষদেরকে যারা প্রকৃত মানুষ তারাই শধুমাত্র এই বিশ্ব সভ্যতার প্রথম সারির সদস্য। যদিও ইতিহাসে তাদের নাম থাকে নাা,  ইতিহাস লেখা হয় রাজা মহারাজা রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদদের নামে, তা হোক কিন্তু এই শ্রমিক, শিল্পী, কৃষক, বিজ্ঞানীরা যা উৎপাদন করছে মূলত তাদের মাধ্যমে পৃথিবী তার দান ভান্ডার উম্মুক্ত করছে মানব সভ্যতার জন্য। এই উপহার মানব জাতির প্রত্যেক সদস্যের কাছে, এই ইকোসিস্টেমের প্রত্যেক প্রাণীর কাছে সরবরাহ করার দায়িত্ব তাদের যারা রাজা, রাজনীতিবিদ, সমাজপতি, রাষ্টপতি, পৃথিবী তাদেরকে এজন্য দায়িত্ব  দিয়েছে, তাদেরকে পৃথিবী তার আলো বাতাস দিয়ে যোগ্য করে গড়ে তুলেছে, তাদেরকে গণমানুষ ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় সমাজ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর দায়িত্বভার অর্পন করছে। সম্পদ, খাদ্য পানীয়, সুষম বন্টনের জন্য, তারা এ দায়িত্ব পালন না করলে পৃথিবীর কাছে এবং মানবজাতির কাছে তারা অপরাধী, এ সভ্যতায় তাদের কোন অবদান নেই। তারা শুধু ভোগ করলো, কোন ত্যাগ করলনা, তারা তাদের বিবেকের কাছের অপরাধী, স্রষ্টার কাছেও অপরাধি তাদের পরিমণাম অশুভ।