ইতিহাসের বেদনাঘন একটি দিন ২৫ শে মার্চের `কালোরাত’

স্বাধীনতা মানে মুক্ত আকাশে


ডানা মেলে উড়া,
স্বধীনতা মানে অজানাকে
বেশী করে জানা
স্বাধীনতা মানে দূর করা
মনের যত কালিমা
স্বাধীনতা মানে জ্বালিয়ে দেওয়া
লক্ষ প্রদীপ আলো।

স্বাধীন মানে মুক্তি। এই মুক্তি সেই মুক্তি নয়, এই মুক্তি, স্বধীনতার মুক্তি। আজ সেই ভয়াল ২৫ শে মার্চের কালোরাত। ১৯৭১ সালের এই রাতেই মিঃ ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে রক্তপিপাসু সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট এর নামে ইতিহাসের বর্বর কাপুরুশোষিত গণহত্যার ঘটনা ঘটায় নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর। তাই ভয়াল এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে বেদনাঘন একটি দিন। সেই বিভীষিকাময় ঘটনার কারনেই ২৫ শে মার্চের রাতটিকে ’কালোরাত’ হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে । স্বজন হারানোর বেদনায় সেদিন শোকাতুর হয়ে পড়েছিল গোটা বাঙ্গালী জাতি। আমাদের এ স্বধীনতা অর্জিত হয়েছে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের কালোরাতে কাপুরুশোষিত আক্রমনের মধ্যদিয়ে সে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল তারই গৌরবময় অর্জন হলো বাংলাদেশ তথা অমার প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা। আর এ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষনা করেন জাতির জনক মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর একের পর এক অত্যাচার আর নির্যাতন চলতে থাকে বাঙ্গালীর উপরে। বাঙ্গলী জাতি বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলে, তার ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাস ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি এবং পূর্ন স্বাধীনতা অর্জিত হয়। আমাদের সকলের স্বধীনতার তাৎপর্য জানতে হবে, জানাতে হবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মকে সঠিক ও নির্ভূল ইতিহাস সম্পর্কে জনাতে হবে এবং ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য উদ্ভুদ্ধ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ্যভাবে কাজ করতে হবে এবং  সকল বাধা উপেক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াব।

মন্তব্যসমূহ

Mahafujul Haque বলেছেন…
২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। এ দিনটির অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। আমরা সকলে এ দিনটিকে প্রতিবছর মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পালন করে থাকি। আমাদের সকলের উচিত এ দিনটি যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা এবং নতুনদের ২৬ শে মার্চ তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ করা। তাহলে তারা ইতিহাস থেকে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।
SK Hamid বলেছেন…
নতুনদের ২৬ শে মার্চ তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ করা।