পিএইচসি আহ্বায়কের ঘোষনা



আহ্বায়কের ঘোষনা : পিএইচসির স্থায়ী কমিটির ২১ জন সদস্য  প্রস্তাবিত সম্প্রসারিত কমিটির সদস্যগণ যাহাদেরকে সবাইকে আগামী লা জুলাই ভয়েস অব বাংলাদেশ অফিসে পিএইচসির কমিটি পুনর্গঠন রেজুলেশান তৈরী এবং রেজিষ্ট্রেশানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।  উক্ত সভার পূর্বেও এজেন্ডা তৈরীর জন্য ই-মেইলে বা চিঠিতে আপনাদের মতামত আমার নিকট পাঠাতে পারেন। Email <batchuhossainnp@gmail.com>
Cel: 01746940266


পিএইচসি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ : পিএইসসি হচ্ছে প্রোগ্রাম ফর হিউম্যান কেয়ার এর সংক্ষিপ্ত রূপ।  পি এইচ সি অরাজনৈতিক অলাভজনক একটি কর্মসূচী।  যাহা শুধু মাত্র কবি, সাহিত্যিক, লেখকদেরকে নিয়ে গঠিত।  ২১ জন স্থায়ী সদস্য নিয়ে গঠিত।  মানবিক কার্যক্রমের লক্ষ্যে গঠিত। যাহা কোন ফান্ড সংগ্রহ করে না। শুধু মাত্র সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। 

পিএইচসির নিয়ম : কারো পদত্যাগ করার সুযোগ নেই।  স্থায়ী কমিটির যে কেউ যে কোন জনকে স্থায়ী কমিটিতে আন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।  কারো কোন কার্যক্রম নিয়ম বিরোধী হলে তাকে সংশোধন করতে হবে।  স্থায়ী কমিটি হতে বাদ দেওয়া যাবে না।   কোন ফান্ড অফিস বা স্টাফ হবে না।  সভাপতিা বা আহ্বায়ক পরবর্তী আহ্বায়ক নির্বাচন করতে পারবেন বা করবেন, যদি সবাই মিলে নির্বাচিত না করে।  

পর্যন্ত পিএইচসিতে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন : ২০০৯ সালে গঠিত ১ম কমিটির সভাপতি তারেক হাসান, ২০১০ সালে গঠিত ২য় কমিটির সভাপতি  মনিরা চৌধুরী,  ২০১১-২০১২ সালে গঠিত কমিটির সভাপিত আমিনুল ইসলাম মানুম এবং উপদেষ্টা কমিটির প্রধান আক্তারুজ্জামান ভূইয়া, ২০১৩-২০১৪ সালে পিএইচসির আহ্বায়ক হন পিকেএস এর ইদ্রিস আলী (তারেক হাসান কর্তৃক মনোনীত) ২০১৫-২০১৬ সালের জন্য আহ্বায়ক মনোনীত হন মোহাম্মদ বাচ্চু হোসেন। (ইদ্রিস আলী কর্তৃক মনোনীত)  পিএইচসি সর্বপ্রথম ওপেস্টে পরে বাংলাদশে নেটওয়ার্ক সহ আরো কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে এওয়ারনেচ প্রোগ্রাম করেছে।  উপরোক্ত মিডিয়া সমূহ বন্ধ হয়ে গেলে তার কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়।  যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী ইহার কোন রেজিষ্ট্রেশান থাকার কথা নয়।  কিন্তু বর্তমানে আমরা রেজিষ্ট্রেশান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  এবং প্রতি মাসে একটি সভার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  যদি রেজিষ্ট্রেশান করা না হয় তবে ১১ টি রেজিষ্ট্রার্ড সংগঠনের মাধ্যমে ভয়েচ অব বাংলাদেশ দ্বারা ইহা পরিচালিত হবে।

Ten Main Activity of PHC
1 Remove Hunger
2 Salaries and insurance.
3 Priority to children.
4 Fund for DPOs and distressed.
5 Stop violence against women
6 DPO, DP and individuals
7 The hearts of Earth
8 Local PHC team
9 Open Source Found

10 Humanitarian attitude

পিএইচসির ১০ টি প্রধান কার্যক্রম :
১. পিএইচসির ১ম আর্টিকেল যাতে বলা হয়েছে পৃথিবীতে রয়েছে সাতশত কোটি মানুষ। খাদ্যের মজুদ রয়েছে ২৮ শত কোটি মানুষের জন্য।  একজন মানুষের জন্য রয়েছে ৪ গুন খাবার।  তবুও পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১০২ কোটি মানুষ খাবার না খেয়ে ঘুমাতে যায়।  অথচ আমরা যদি আন্তরিকভাবে সবাই মিলে চেষ্টা করি কেউ অভুক্ত থাকবেনা ।  পিএইচসি ফ্যামিলি সিস্টেম হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যাতে যে গ্রামে ৭০ টি স্বচ্ছল পরিবার আছে তারা সাপোর্ট দিবে ১০ জনকে যারা অক্ষম ও অভুক্ত ও আশ্রয়হীন।  ৫ মিনিটে ১ টি শিশু খাবারের জন্য মারা যায়।  অথচ খাবার নষ্ট করা হয় এবং  অপচয় করা হয়।  খাবার পানির জন্য ১ ঘন্টায় মারা যায় প্রায় ১০০ টি শিশু।  এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।  এ কার্যক্রম শুরু করতে হবে বাংলাদেশ থেকে। 

২. শুধু খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান নয়, কর্মক্ষম, প্রতিবন্ধী ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অপর সকল মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে হবে।  প্রয়োজনে যারা সরকারী বা বেসরকারী চাকুরীজীবি তাদের ১% করে স্যালারি জমা করা হবে।  জাতীয় ভাবে বাধ্যতামূলক বীমা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভবিষ্যত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। 

৩. মানবিক কার্যক্রমে সবেচেয়ে প্রায়োরিটি প্রদান করা হবে শিশুদের জন্য।  কারণ শিশুরা সবচেয়ে অবহেলার শিকার, যা তারা ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না।  তারপর ক্রমান্বয়ে গুরুত্ব পাবে নারী, বৃদ্ধ, অসুস্থ, প্রতিবন্ধি সহ অন্য সবার বিষয়।  যে ব্যক্তি অর্থের বা ট্রেনিং এর অভাবে চাকুরী বা ব্যবসা করতে পারছেনা সে পরোক্ষভাবে ডিজেবল, তাকেও সহায়তা দিতে হবে। 

৪. ডিপিও সংস্থাগুলোর অধীনে ডিপি কমিউনিটিকে একত্র করে রিহ্যাবিলিটেশান করতে হবে।  অনাথ ও পথে পড়ে থাকা শিশু তাদেরকেও নিয়ে আসতে হবে ডিপিওদের অধীনে।  ডিপিও এবং এনজিওদের ফান্ড যেন ইফেক্টিভলি বিপন্ন ও অনাথ শিশুদের জন্য ব্যয় হয় তার জন্য নির্দেশনা দিতে হবে এবং লবিং করতে হবে। 

৫. বিশেষভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে নারীর প্রতি সহিংসতা অবসান করতে।  ব্যবস্থা নিতে হবে স্কুল ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য। Related Article

৬. সকল ডিপিও সংগঠন, ডিজেবল ব্যক্তি এবং মানবিক কাজে যারা ব্যক্তিগত ভাবে অবদান রাখছে যেমন যারা রক্ত দান করছে, যারা গাছ রোপন করছে, গ্রামে হেঁটে বই বিতরন করছে, তাদের সবাইকে লিংকেজ করে কাজ করতে হবে, তাদের সকলের পরামর্শ নিতে হবে, তাদের দৃষ্টান্ত অনুসরন করে যেন অন্যরা উৎসাহিত হয় সেজন্য প্রচার প্রচারণা ও পুরস্কার প্রদান ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে। 

৭. মানবতাবাদ হবে পৃথিবী ব্যাপী।  মানবতাবাদ পৃথিবীর দাবী।  সকল ধর্মের দাবী।  মানুষের বিবেকের দাবী।  এ সম্পর্কে লেখা হয়েছে হার্টস অব দা আর্থ। 

৮. পিএইচসি ব্যাজ ধারী লোকাল গ্রুপ বা টিম থাকবে যাতে ইভ টিজিং না হয়, যাতে অন্ধ একজন ব্যক্তিকে গাড়ীতে উঠিয়ে দেওয়া হয়, যাতে বৃদ্ধদেরকে গাড়ীতে সিট দেওয়া হয়, শিশু আছে যাদের সাথে তাদেরকেও।  যাতে রোড থেকে কাটা বা দুর্গন্ধজাতীয় জিনিস সরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে প্রয়োজন হলে গ্রামে তারা একতাবদ্ধ হয়ে একটি ব্রীজ বানাতে পারে। 

৯. উইকিপিডিয়ার মত ওপেন সোর্স ফান্ড সংগ্রহ করতে হবে।  অনলাইন ব্যবস্থাপনায় যে আয় হয় তার জন্য বিপন্ন ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ফান্ড থাকবে হবে।   গায়ক ও পারফরমারগণ কনসার্ট করে আয় করবে, ক্রিকেট থেকে আয় হবে তাতেও একটা অংশ থাকবে।  ক্রেস্ট বা পুরস্কার দেওয়া হবে লেখকদের, যারা ফেসবুক টুইটারে কাজ করছে। তাদের বাছাইকৃত গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও প্রবন্ধ সংগ্রহ করা হবে, যা মানবতাবাদ সংক্রান্ত।  লাইব্রেরী করা হবে যাতে মানুষ আরো মানবিক বোধ সম্পন্ন হতে পারে।

১০. দৃষ্টি ভঙ্গি হবে মানুষ ভিত্তিক, সবার উপরে মানুষ, ইহাতে কোন বৈষম্য নাই।  কোন জাতীয় বর্ডার নাই, কোন সাদা কালো নাই, কোন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভেদাভেদ নাই, কোন ধর্মীয় পার্থক্য নাই।  ধর্ম দরিদ্র নারী পুরুষ কারো জন্য আইন ও অধিকারে কোন পার্থক্য নাই।  কোন ভাষা গত ভিন্নতায় কোন অগ্রাধিকার নাই।  একের জন্য সবাই।  সবার জন্য প্রত্যেকে।  এ ধরনের মানবিক বোধ নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হবে পিএইচসি।

The First Article on PHC

2nd Article on PHC 

3rd Article on PHC 

পিএইচসি নিয়ে আরো কারো লেখা সংগ্রহে থাকলে বা নতুন লেখা হলে আমার মেইলে  পাঠানোর জন্য অনুরোধ করছি। 
  

মন্তব্যসমূহ

batchu hossain বলেছেন…
আমরা পিএইচসি কে সমপূর্নরুপে সাজিয়ে একেবার নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলতে চাই।