ইনক্লুশান এন্ড সেলফ ডিফেন্ডেন্স অব পারসন্স উইথ ডিজেবলিটি।

ইনক্লুশান এন্ড সেলফ ডিফেন্ডেন্স অব পারসন্স উইথ ডিজেবলিটি।
প্রতিবন্ধীদের ইনক্লুশান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু যে পর্যন্ত না তা সৃষ্টি হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আরো কিছু ভিন্ন সহযোগীতা প্রদান করতে হবে। যেমন একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ডাক্তারের কাছে যখন যাবেন তাকে যেন সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়। যখন তারা গাড়িতে উঠতে চাইবে, গাড়ী যেন দাঁড়ায়। বিশে^র অনেক দেশের এই বিষয়ে নাগরিকরা অনেক মোটিভেট। আবার প্রতিবন্ধীদের আসন দেওয়ার বিষয়েও কোন নির্দিষ্টতা থাকা উচিত নয়। প্রতিবন্ধীরা হাত তুললেই পাবলিক বাস থামবে এবং সিট ৫টা পুরন হয়ে  যাওয়ার পর আরো প্রয়োজন হলেও তা স্বাভাবিক ব্যক্তিরা খালি করে দেবেন। নারীদের ক্ষেত্রেও তাই। কারণ ৯টি সিট পুরন হওয়ার পর কোন নারী দাড়িয়ে থাকলে অন্যদের সমস্যা হবে। নারীদেরও। বৃদ্ধ ও শিশুদের ক্ষেত্রেও তাই। যদি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে ব্যক্তিগত গাড়ীতে ভাড়া যেতে হয় তাকে ভাতা দিতে হবে। যার বেশি প্রতিবন্ধীতা তাকে বেশি ভাতা দিতে হবে। বিষয়টি তাও নয়। যার অক্ষমতা যত বেশি তাকে তত বেশি ভাতা দিতে হবে। যেমন একজন আংশিক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তাকে দিতে ভাতা। কিন্তু পুরো দৃষ্টি বন্ধী তিনি কলেজ থেকে মাষ্টার্স ও চাকুরী করছেন তাকে ভাতা দিতে হবে না। এভাবে অনেক ধনী প্রতিবন্ধীকে ভাতা দিতে হবে না। কিন্তু ৯৯% প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে কর্মসংস্থান করা যায়, শুধু মাত্র তাদেরকে সেট করতে হবে। যেমন কেয়া গ্রুপ করছে। তেমন উপাত্ত ও পরিল্পনা নিতে হবে। আর বাকী ১% মাল্টিপল ডিজেবল ও বৃদ্ধ তাদের। তাদের সবাইকে ভাতা দিতে হবে। আবার সংক্ষেপে বা বিদ্রুপাত্তক ভাবে কানা খোড়া লেংড ডাকা হয়। কিন্তু একটু বেশী শব্দ ব্যবহার করা দরকার হলেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারিরীক প্রতিবন্ধী বলার জন্য আমরা রিকোয়েস্ট করবো। কেউ প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মে। আবার কেউ প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। তখন সে যেন সম্মান পেতে পারে। ডিআরএফ কে বলবো যেন তারা সমগ্র দেশের ডিজেবল কমুনিটিকে করার মত একটা স্বচ্ছ ফান্ড দেয় এবং সরাসরি সুপারভাইজ করে। যেহেতু তারা দিচ্ছে কিছুটা তবে ইফেক্টিবলি সবার জন্য দিক। তবে বিদেশী ফান্ড এর উপর ডিফেন্ডেট না হয়ে নিজেরা কিছু করা উচিৎ। কর্মসংস্থান। সাধারণ ভিক্ষা বৃত্তি ত্যাগ করে হস্তশিল্প এর দিকে যেতে হবে।  শুধু মনে রাখতে হবে প্রতিবন্ধীরা প্রতিবন্ধীদেরকে হেল্প করতে পারে। সেল্প হেল্প। আর বিপন্নতার দৃষ্টি কোণ থেকে সহযোগীতা করতে হবে। অনেক এবল ব্যক্তি বা শিশু বা বৃদ্ধ বিপন্ন আছে। তাদেরকেও এদের সাথে যুক্ত করতে হবে। যাতে তারা প্রতিবন্ধীতার দিকে এগিয়ে না যায়। এটাই ভিশন হওয়া উচিৎ ডিজেবল্ড এলায়েন্স বা কোয়ালিশনের। তাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যেন শত ভাগ ডিজেবল্ড ও বিপন্ন মানুষ সংস্থার আওতায় আসে। সবাইকে যেন তারা সেবার আওতায় আনতে পারে। এনজিওরা বিদেশ থেকে টাকা এনে খাচ্ছে তারা অপরাধী কিন্ত যারা দেশের গণমানুষের টাকা নষ্ট করে তারা আরো বড় অপরাধী। এজন্য এনজিও, সরাকরী, বেসরকারী সবার হিসাবই স্বচ্ছ হওয়া দরকার। এজন্য চেষ্টা করা দরকার আয় ব্যয় যেন অনলাইনে প্রদর্শন করার ব্যবস্থা থাকে। তাহলে একটি এনজিও বা প্রতিবন্ধী সংস্থা সহজেই দুর্নীতি গ্রস্থ হতে পারবেনা। শিশুরা থাকবে বিশেষ কেয়ারে। ইউনিসেফ বা সেইভ দা চিলড্রেন যেন ইফেক্টভলি কাজ করতে পারে তাদেরকে সহযোগীতা ও প্রবলেম আইডেন্টিফাই করে দিতে হবে। জাতিসংঘ যে সিআরপিডি করেছে অনেক ধন্যবাদ তাদেরকে। আবার সমগ্র বিশ^ ও দেশ সমূহের রাষ্ট্র প্রধানরা এখানে সাইন করেছে। তাদেরকে ও  আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সিআরপিডি সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা থাকা দরকার। প্রতিবন্ধী কমুনিটির অনেকেরই তা নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও সিআরপিডি ইনক্লুড করা প্রয়োজন। ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে পেপারস তৈরী করতে হবে মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া সরাসরি তথ্য ও চাহিদার ভিত্তিতে। অনেক কাজ। প্রতিবন্ধী ও বিপন্ন মানুষদেরকে যথাযথ অবস্থানে যেতে হলে অনেক কাজ করতে হবে। অনেক আন্তরিকতা থাকতে হবে। প্রত্যেক ডিজেবল্ড সংস্থার কমিটিকে এবং ডিজেবল্ড নেটওয়ার্ককে একাজে নিরলস ও নিরন্তর কাজ করতে হবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা ব্রেইল পদ্ধতি বিভিন্ন বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে তাদের এক দুজন নয় সবার খোঁজখবর নিতে হবে। তারা কাজ করছে কম্পিউটার নিয়ে। তারা রিসার্চ করছে বিভিন্ন থিসিস নিয়ে। যারা সদস্য নয় তাদেরকেও। অন্য সকলের জন্য র‌্যাম্প টয়লেট লিফট গাড়ী আছে কিনা দেখতে হবে। তা ব্যবস্থা না হলে স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়াট দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক অনুদান বা সিস্টেম দিতে হবে। যেমন এখানে ট্রাফিক আছে তাকে বলে দিতে বা গেট ম্যান আছে। এই ব্যক্তি বা সিস্টেমকে সেট করতে হবে। তারা দাবা খেলছে ক্রিকেটও। তাদের কথা মিডিয়া আনতে হবে অন্য প্রতিবন্ধীদের জানাতে দিতে হবে, যাতে তারা ডিফেন্ডেন্ট হয়ে না থাকে। যাতে তাদের ইনক্লুশন হয়। তাদেরকে নিজেদের পথ নিজেরা পারস্পারিক সহযোগীতার মাধ্যমে তৈরী করতে হবে। 


মন্তব্যসমূহ